best lawyer in bangladesh - ডিভোর্সের পর সন্তান কার- +
ঢাকা 4:40 am, Thursday, 20 June 2024

ডিভোর্সের পর সন্তান কার ? best lawyer in bangladesh

শুভ শাকিল
  • আপডেট সময় : 04:31:19 am, Friday, 7 April 2023 445 বার পড়া হয়েছে

best lawyer in bangladesh

আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া এবং ঘটতে পারে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা আমাকে সব খুলে বলুন আমি,

আমার জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট খুব প্রয়োজনে সিনিয়র বিজ্ঞ আইনজীবী সহ আপনার সকল সমস্যার বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করে সমাধান করে দেব

খুঁজে বের করবই এই কথা  বলা হয়ে থাকে শুধু যে একজন ডাক্তার ও আইনজীবীর কাছেই কোন কিছুই লুকাতে নেই। কেননা একজন ডাক্তার যেমন

আপনার শরীরে ভেতর ঘটে যাওয়া সমস্যার কথা ভালভাবে শুনে তার উপর ভিত্তি করেই প্রথমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং তারপর ডায়াগনোসিস করে, ঠিক তেমনি একজন বিজ্ঞ আইনজীবী, তার সম্মানিত গ্রাহকের সকল জীবনে ঘটে যাওয়া দু’র্ঘটনা পর্যালোচনা করে সেই হিসেবেই আমাদের দেশের সংবিধান মেনে কোন পথে অগ্রসর হলে তার সমস্যার ও সর্বোচ্চ সমাধান পাবেন তা নিশ্চিত করে। আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনজীবীরা আইনি নোটিশ, আইনি মতামত, থানা এবং কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত বিষয়ে মা’মলা দায়ের করা, নিয়মিত জামিন এবং আগাম জামিন, অন্তর্বর্তী জামিন, সাক্ষীকে যথাযথ জ্বেরাপূর্বক আসা’মিকে খালাস করার সেবা ও প্রদাণে অত্যন্ত দক্ষ। এছাড়াও জটিল ও কঠিন মা’মালার ক্ষেত্রে আমাদের “NO WIN, NO FEE” পলিসি ইতিমধ্যে আমাদের ল ফার্মকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায় কেননা আমাদের গ্রাহকদের আইনি খুব তাড়াতাড়ি বিজয় নিশ্চিত করা আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

ডিভোর্সের পর সন্তান কার ? best lawyer in bangladesh নাবালক সন্তানের গার্ডিয়ানশীপঃ

বর্তমানে এখন তালাক দেওেয়া একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। এই তালাকের ফলে সবচেয়ে বেশি অসহায় যারা হয়

তারা হলাে স্বামী এবং স্ত্রীর দা’ম্পত্য জীবনে জন্ম গ্রহণ করা সন্তানরা। কারণ সন্তান যদি তার মায়ের কাছে থাকে তাহলে

সেই সন্তান তার বাবার আদর এবং স্নেহ, এবং ভালােবাসা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হয়।

যার ফলে তার শারীরিক এবং মানসিক বিকাস সঠিকভাবে গড়ে উঠে না।

তালাকের পরপরই যে প্রশ্ন টা আমাদের মাঝে চলে আসে সেটা হলাে সন্তান কার কাছে থাকবে? মায়ের কাছে থাকবে ? নাকি বাবার কাছে থাকবে? চলুন দেখি আইন কি বলে? মুসলিম আইন অনুযায়ী । নাবালক সন্তানের আইনগত অভিভাবক (legal guardian) হচ্ছে পিতা, এবং মা হচ্ছে আইনগত তত্ত্বাবধায়ক (legal custodian)। বাংলাদেশে ভেতরে প্রচলিত আইন অনুযায়ী নাবালক সন্তান যদি ছেলে হয় তাহলে সে ০৭ (সাত) বছর পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে অথবা তত্ত্বাবধানে থাকবে।

নাবালক সন্তান যদি কন্যা সন্তান হয়ে থাকে তাহলে তার বয়ঃসন্ধি কাল পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে ভেতরে থাকবে।

মায়ের যদি অন্যত্র কথায় বিয়ে হয়ে যায় কারো সাথে তৎক্ষেত্রে উল্লেখিত সময়কাল পর্যন্ত সন্তানকে হেফাজতে রাখার

অধিকার তার মা হারাতে পারেন। কারণ পরের সংসারে সেই সন্তান এমনো হতে পারে ভালাে নাও থাকতেই পারে।

তবে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত এবং রায় পর্যালােচনা করলে দেখা যায়, মা যদি তার বিয়ে করার নতুন সংসারে সেই সন্তানকে নিজের হেফাজতে রেখে সঠিকভাবে লালন এবং পালন করতে পারে তাহলে সেই সন্তানকে মায়ের হেফাজতে দিতে কোনভাবেই আইনগত কোন বাধা নেই।বিজ্ঞ আদালতের কাছে যদি প্রতিয়মান হয় যে, সন্তান মায়ের কাছে থাকলে তার শারীরিক এবং মানসিক বিকাস স্বাভাবিক ভাবে হবে তাহলে উল্লেখিত সময়সীমার বাহিরে এবং বিশুদ্ধ আদালত সন্তানকে মায়ের কাছে দিতে পারেন। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫, অনুযায়ী পারিবারিক ও আদালত গঠিত হয়।

কাছে থাকলে সবচেয়ে বেশি ভালাে এবং সুস্থ  থাকবে এবং অন্যান্য পারিবারিক দিক বিবেচনা করে যেমনটি ,

যদি কোনরকম ভালাে এবং ম’ন্দ বুঝার ক্ষমতা থাকে বা বুদ্ধিদিন্তের পরিচয় দিতেই পারে

সেই ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালত নাবালক সন্তানকে তার খাস কামরায় নিয়ে গিয়ে তারা তার মতামত নিতে পারেন ও তার মতামতকে প্রাধাণ্য দিতে পারেন।

best lawyer in bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিভোর্সের পর সন্তান কার ? best lawyer in bangladesh

আপডেট সময় : 04:31:19 am, Friday, 7 April 2023

আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া এবং ঘটতে পারে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা আমাকে সব খুলে বলুন আমি,

আমার জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট খুব প্রয়োজনে সিনিয়র বিজ্ঞ আইনজীবী সহ আপনার সকল সমস্যার বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করে সমাধান করে দেব

খুঁজে বের করবই এই কথা  বলা হয়ে থাকে শুধু যে একজন ডাক্তার ও আইনজীবীর কাছেই কোন কিছুই লুকাতে নেই। কেননা একজন ডাক্তার যেমন

আপনার শরীরে ভেতর ঘটে যাওয়া সমস্যার কথা ভালভাবে শুনে তার উপর ভিত্তি করেই প্রথমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং তারপর ডায়াগনোসিস করে, ঠিক তেমনি একজন বিজ্ঞ আইনজীবী, তার সম্মানিত গ্রাহকের সকল জীবনে ঘটে যাওয়া দু’র্ঘটনা পর্যালোচনা করে সেই হিসেবেই আমাদের দেশের সংবিধান মেনে কোন পথে অগ্রসর হলে তার সমস্যার ও সর্বোচ্চ সমাধান পাবেন তা নিশ্চিত করে। আমাদের বিশেষজ্ঞ আইনজীবীরা আইনি নোটিশ, আইনি মতামত, থানা এবং কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত বিষয়ে মা’মলা দায়ের করা, নিয়মিত জামিন এবং আগাম জামিন, অন্তর্বর্তী জামিন, সাক্ষীকে যথাযথ জ্বেরাপূর্বক আসা’মিকে খালাস করার সেবা ও প্রদাণে অত্যন্ত দক্ষ। এছাড়াও জটিল ও কঠিন মা’মালার ক্ষেত্রে আমাদের “NO WIN, NO FEE” পলিসি ইতিমধ্যে আমাদের ল ফার্মকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায় কেননা আমাদের গ্রাহকদের আইনি খুব তাড়াতাড়ি বিজয় নিশ্চিত করা আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

ডিভোর্সের পর সন্তান কার ? best lawyer in bangladesh নাবালক সন্তানের গার্ডিয়ানশীপঃ

বর্তমানে এখন তালাক দেওেয়া একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। এই তালাকের ফলে সবচেয়ে বেশি অসহায় যারা হয়

তারা হলাে স্বামী এবং স্ত্রীর দা’ম্পত্য জীবনে জন্ম গ্রহণ করা সন্তানরা। কারণ সন্তান যদি তার মায়ের কাছে থাকে তাহলে

সেই সন্তান তার বাবার আদর এবং স্নেহ, এবং ভালােবাসা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হয়।

যার ফলে তার শারীরিক এবং মানসিক বিকাস সঠিকভাবে গড়ে উঠে না।

তালাকের পরপরই যে প্রশ্ন টা আমাদের মাঝে চলে আসে সেটা হলাে সন্তান কার কাছে থাকবে? মায়ের কাছে থাকবে ? নাকি বাবার কাছে থাকবে? চলুন দেখি আইন কি বলে? মুসলিম আইন অনুযায়ী । নাবালক সন্তানের আইনগত অভিভাবক (legal guardian) হচ্ছে পিতা, এবং মা হচ্ছে আইনগত তত্ত্বাবধায়ক (legal custodian)। বাংলাদেশে ভেতরে প্রচলিত আইন অনুযায়ী নাবালক সন্তান যদি ছেলে হয় তাহলে সে ০৭ (সাত) বছর পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে অথবা তত্ত্বাবধানে থাকবে।

নাবালক সন্তান যদি কন্যা সন্তান হয়ে থাকে তাহলে তার বয়ঃসন্ধি কাল পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে ভেতরে থাকবে।

মায়ের যদি অন্যত্র কথায় বিয়ে হয়ে যায় কারো সাথে তৎক্ষেত্রে উল্লেখিত সময়কাল পর্যন্ত সন্তানকে হেফাজতে রাখার

অধিকার তার মা হারাতে পারেন। কারণ পরের সংসারে সেই সন্তান এমনো হতে পারে ভালাে নাও থাকতেই পারে।

তবে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত এবং রায় পর্যালােচনা করলে দেখা যায়, মা যদি তার বিয়ে করার নতুন সংসারে সেই সন্তানকে নিজের হেফাজতে রেখে সঠিকভাবে লালন এবং পালন করতে পারে তাহলে সেই সন্তানকে মায়ের হেফাজতে দিতে কোনভাবেই আইনগত কোন বাধা নেই।বিজ্ঞ আদালতের কাছে যদি প্রতিয়মান হয় যে, সন্তান মায়ের কাছে থাকলে তার শারীরিক এবং মানসিক বিকাস স্বাভাবিক ভাবে হবে তাহলে উল্লেখিত সময়সীমার বাহিরে এবং বিশুদ্ধ আদালত সন্তানকে মায়ের কাছে দিতে পারেন। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫, অনুযায়ী পারিবারিক ও আদালত গঠিত হয়।

কাছে থাকলে সবচেয়ে বেশি ভালাে এবং সুস্থ  থাকবে এবং অন্যান্য পারিবারিক দিক বিবেচনা করে যেমনটি ,

যদি কোনরকম ভালাে এবং ম’ন্দ বুঝার ক্ষমতা থাকে বা বুদ্ধিদিন্তের পরিচয় দিতেই পারে

সেই ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালত নাবালক সন্তানকে তার খাস কামরায় নিয়ে গিয়ে তারা তার মতামত নিতে পারেন ও তার মতামতকে প্রাধাণ্য দিতে পারেন।

best lawyer in bangladesh