কিভাবে মোটা হওয়া যায় - ছেলে মেয়ে মোটা হওয়ার ঔষধ - ভিটামিন ফাইল +
ঢাকা 5:58 am, Wednesday, 19 June 2024

মোটা হওয়ার ঔষধ। কিভাবে মোটা হওয়া যায়। ছেলে মেয়ে মোটা হওয়ার ঔষধ। মোটা হওয়ার ভিটামিন ফাইল

শুভ শাকিল
  • আপডেট সময় : 09:39:45 am, Tuesday, 23 May 2023 7016 বার পড়া হয়েছে

কিভাবে মোটা হওয়া যায়

মোটা হওয়ার জন্য বতর্মান ঔষধ বাজারে ঠিকমতো সারা ফেলেছে অনেকটাই। এর ভেতরে কোনটা ভাল আর কোন ক্ষতিকর সেটা বুঝা সাধারণ

রোগী তো দূরে থাক অনেক ভালো ভালো  চিকিৎসকগণও তাদের  বুঝতে অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আজকে আমরা সকলে জেনে নেব খাবারের ভেতরে রুচিসহ এবং স্বাস্থ্যবান হওয়ার জন্য ভালো  কিছু সিরাপের নাম

খাবারে রুচি বৃদ্ধির ঔষধ

 

খাবারে ভেতরে রুচি বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন জাতের ব্র্যান্ডের সিরাপ ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল পাওয়া যায়, তবে এর বেশীরভাগ ঔষধই স্টেরয়েড মিশ্রিত। যেগুলো হলো ইউনানি, আয়ুর্বেদিক এবং হারবাল জাতীয় ঔষধ বলে খা’ওয়ানো হয়। এর ভেতরে রয়েছে কেয়ার ল্যাবরেটরীজ এর “কেয়ারটন” হার্বো  এবং কোম্পানির “আমরুধ” সহ আরো অনেক ভালো  কোম্পানি এসব ঔষধ তারা বাজারজাত করে অনেকদিন ধরে আসছে। আমি ব্যাক্তিগতভাবে হামদর্দ এর সিনকারা সাজেস্ট করি সবাই কে । কারনটা হলো এটা সব জায়গায় যেকোনো সময় পাওয়া যায়, দামও অনেকটাই কম। কাজও অনেক ভাল করে থাকে। এছাড়া শুধু মাত্র রুচি এবং বৃদ্ধির জন্য গ্যাসের ঔষধের অনেক ভালো  কোম্পানির ডমপেরিডন ১ মাস দিনে  মাএ ২ বার খাবার  এবং আধাঘন্টা আগে সেটা সেবন করা যেতে পারে। এর সাথে রাত্রে মাএ ১ টা ফলিক এসিত ট্যাবলেট এবং মাল্টিমিনারেল ট্যাবলেট আপনি  খেতে পারেন মাএ ১ মাস। আরও অনেকটাই ভাল হয়, যদি জিংক এবং  ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ট্যাবলেট সকাল এবং  রাতে  মাএ ১ টা করে ১ মাস আপনি খে’তে পারলে, আশা করা যায় আপনার রুচির সমস্যাটা অনেকটাই সমাধান হবে। তারপরও আপনার যদি না হয়, তাহলে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টার্লজি অথবা জেনারেল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আপনি দেখাতে পারেন। তবুও আপনার গ্রামের সাধারণ চিকিৎসক না দেখানো অনেক ভাল। কারন টা হলো অনিয়ন্ত্রিত মাত্রার  এটা স্টেরয়েড ব্যবহৃত যদি কোন ঔষধ যদি প্রায় দীর্ঘদিন সেটা সেবন করায়, এতে করে আপনার মারাত্মক ভেতরে ক্ষতি হতে পারে।

ছেলেদের মোটা হওয়ার ঔষধ

ছেলেদের মোটা হওয়ার জন্য ঔষধ খা’ওয়ার আগে ভালো  কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা নির্নয় করা খুবই উচিৎ। সেটা হলো,

ঐ ছেলের বয়স কত ? এবং বয়সের সাথেই তার মাজে যে পুরুষালী সমস্যাগুলো থাকার কথা তার সেগুলো আছে কিনা।

বেশীরভাগ ছেলেদের এই বড় সমস্যার কারনে তাদের শরীর রোগা রোগা দেখা যায়। তাই  তাদের আগে এই সমস্যার সমাধান করা অনেকটাই উচিৎ। অন্যথায় মোটা হওয়ার জন্য ঔষধ কিছুদিন খাওয়ার পর তারা মোটা হবে ঠিক, আবার সেই আগের মতোই তারা কঙ্কালসার হয়ে যাবে। তাই তাদের দেখতে হবে, তার স্বপ্নদোষ মাসে ভেতরে কয়বার হয়, প্রশ্রাবের আগে অথবা পরে বী’র্যের মতো কিছু নির্গত হয় কিনা। হলেও এর পরিমানটা আশংকাজনক কিনা। এইসব কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করে ভাল কোন একজন চিকিৎসক এর শরণাপন্ন হওয়া অনেকটাই উচিৎ। সেই সাথে আগে এর সম্পুর্ন ভাবে চিকিৎসা নিয়ে, তারপর তারা মোটা হওয়ার ঔষধ খেতে পারেন।

মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

ছেলেদের মোটা হওয়ার জন্য ঔষধের নাম আলাদা কোন ঔষধ নাই। শুধু চিকিৎসার ধরনটাই  একটু আলাদা।

এর মধ্যে বাড়তি মাএ ১ টা ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যোগ করা যেতে পারে। তবে কেউ কেউ আছেন সিপ্রোহেপ্টাডিন পরামর্শ দিয়েই থাকেন। আমি ব্যাক্তিগতভাবে এটা তাদের নিষেধ করি। কারন এর মধ্যে রয়েছে বহু ক্ষতিকারক উপাদান থাকার অনেকটাই আশংকা আছে। তাই পর্যাপ্ত আমিষ, এবং প্রোটিন অথবা  ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার এবং ফলমুল খেলে ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা।

মেয়েদের মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

মেয়েদের জন্য এখন বতর্মান মোটা হওয়ার ঔষধের নামের তালিকা অনেক বড় লিস্ট । সবগুলো হয়তো লেখা আমি লেখতে পারবোনা

তবে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ যেগুলো তা বলার চেষ্টা করবো । তবে তার আগে নিশ্চিত হতেই হবে,

ঐ মহিলার মাসিকচক্র সেটা নিয়মিত কিনা। যদি সেটা অনিয়মিত থাকে, তাহলে হামদর্দ এর মাস্তুরীন সিরাপটা সেটা রাত্রে  মাএ ৩ চামচ করে এভাবে ২ থেকে ৩ মাস খেয়ে যেতে হবে। সাথে মাএ ১ মাস আয়রন ফলিক এসিড ক্যাপসুল সকালে মাএ ১ টা খে’তে হবে। বাকিগুলো ঔষধ  আগের নিয়মে খে’লে আশাকরা যায়  তাদের শরীর মোটা হবে। এছাড়া ও লিকুরিয়ার মানে সাদা স্রাব হলেও সেটা জন্য ও এই সিরাপ অনেক কাজ করবে। সাথে শুধু দুপুরে  মাএ ১ টা ক্যালসিয়াম যোগ করতেই হবে। সাদাস্রাব ভেতর থেকে বেশী হলে অবশ্যই একজন ভালো  ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এর জন্য  চিকিৎসা আগে করাতে হবে। মাস্তুরীন চালিয়ে যেতেই  হবে । সাথেই আমি একটা ছোট টিপস দিতে পারি, রাতে মাএ ১ মুষ্ঠি আতপ চাল আধাকাপ পানিতে সেটা ভিজিয়ে  সেটা সকালে পানিটুকু পান করতে পারেন  মাএ ৩ সপ্তাহ, বেশ উপকারি। সাদাস্রাব এর জন্য সেটা মাসিকের সময় পরিস্কার ন্যাপকিন ব্যাবহার করতেই হবে। বিবাহিত হলে স্বামী এবং  স্ত্রীর উভয়েই তারা চিকিৎসা নিতে হবে। এবং অনেক পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। স্যাতস্যাথে লজ্জাস্থান অর্থাৎ প্রস্রাব অথবা মলত্যাগের পর লজ্জাস্থান শুকনো কাপড় দিয়েই মুছতেই ব্যার্থ হলে, এখানেই বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিয়ে এসব রোগের সৃষ্টি হয়।

মোটা হওয়ার ঔষধের সাইড এফেক্ট

মোটা হওয়ার জন্য  ঔষধের ভেতরে বিশেষ করে কিছু মারাত্মক  সাইড এফেক্ট আছে। এগুলো  আপনাদের জেনে রাখা ভাল।

 আপনি যদি না জেনে এগুলো খেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন সেটা, প্রচারকেই অনেক দোষারুপ করবেন।

হয়ত বলবেন  আপনারা এসব ঔষধ সম্পর্কে যদি সম্পুর্নরুপে আমাদের কেউ বলে দিতো, তাহলে হয়ত এর বিকল্প  অন্য কিছু খোঁজতাম। এসব ঔষধের সাইড এফেক্টগুলো হচ্ছে, স্টেরয়েডের প্রভাব শরীরে ভেতরে ছড়িয়ে পরতে পারে। যার কারনে, আপনার শরীরে অতিরিক্ত পানি জমা, হাড়ক্ষয়, লিভারে  এবং বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়া, এমনকি আপনার কিডনিতেও প্রভাব পরতে পারে।

কিভাবে মোটা হওয়া যায় কিভাবে মোটা হওয়া যায়

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মোটা হওয়ার ঔষধ। কিভাবে মোটা হওয়া যায়। ছেলে মেয়ে মোটা হওয়ার ঔষধ। মোটা হওয়ার ভিটামিন ফাইল

আপডেট সময় : 09:39:45 am, Tuesday, 23 May 2023

মোটা হওয়ার জন্য বতর্মান ঔষধ বাজারে ঠিকমতো সারা ফেলেছে অনেকটাই। এর ভেতরে কোনটা ভাল আর কোন ক্ষতিকর সেটা বুঝা সাধারণ

রোগী তো দূরে থাক অনেক ভালো ভালো  চিকিৎসকগণও তাদের  বুঝতে অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আজকে আমরা সকলে জেনে নেব খাবারের ভেতরে রুচিসহ এবং স্বাস্থ্যবান হওয়ার জন্য ভালো  কিছু সিরাপের নাম

খাবারে রুচি বৃদ্ধির ঔষধ

 

খাবারে ভেতরে রুচি বৃদ্ধির জন্যও বিভিন্ন জাতের ব্র্যান্ডের সিরাপ ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুল পাওয়া যায়, তবে এর বেশীরভাগ ঔষধই স্টেরয়েড মিশ্রিত। যেগুলো হলো ইউনানি, আয়ুর্বেদিক এবং হারবাল জাতীয় ঔষধ বলে খা’ওয়ানো হয়। এর ভেতরে রয়েছে কেয়ার ল্যাবরেটরীজ এর “কেয়ারটন” হার্বো  এবং কোম্পানির “আমরুধ” সহ আরো অনেক ভালো  কোম্পানি এসব ঔষধ তারা বাজারজাত করে অনেকদিন ধরে আসছে। আমি ব্যাক্তিগতভাবে হামদর্দ এর সিনকারা সাজেস্ট করি সবাই কে । কারনটা হলো এটা সব জায়গায় যেকোনো সময় পাওয়া যায়, দামও অনেকটাই কম। কাজও অনেক ভাল করে থাকে। এছাড়া শুধু মাত্র রুচি এবং বৃদ্ধির জন্য গ্যাসের ঔষধের অনেক ভালো  কোম্পানির ডমপেরিডন ১ মাস দিনে  মাএ ২ বার খাবার  এবং আধাঘন্টা আগে সেটা সেবন করা যেতে পারে। এর সাথে রাত্রে মাএ ১ টা ফলিক এসিত ট্যাবলেট এবং মাল্টিমিনারেল ট্যাবলেট আপনি  খেতে পারেন মাএ ১ মাস। আরও অনেকটাই ভাল হয়, যদি জিংক এবং  ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ট্যাবলেট সকাল এবং  রাতে  মাএ ১ টা করে ১ মাস আপনি খে’তে পারলে, আশা করা যায় আপনার রুচির সমস্যাটা অনেকটাই সমাধান হবে। তারপরও আপনার যদি না হয়, তাহলে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টার্লজি অথবা জেনারেল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আপনি দেখাতে পারেন। তবুও আপনার গ্রামের সাধারণ চিকিৎসক না দেখানো অনেক ভাল। কারন টা হলো অনিয়ন্ত্রিত মাত্রার  এটা স্টেরয়েড ব্যবহৃত যদি কোন ঔষধ যদি প্রায় দীর্ঘদিন সেটা সেবন করায়, এতে করে আপনার মারাত্মক ভেতরে ক্ষতি হতে পারে।

ছেলেদের মোটা হওয়ার ঔষধ

ছেলেদের মোটা হওয়ার জন্য ঔষধ খা’ওয়ার আগে ভালো  কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা নির্নয় করা খুবই উচিৎ। সেটা হলো,

ঐ ছেলের বয়স কত ? এবং বয়সের সাথেই তার মাজে যে পুরুষালী সমস্যাগুলো থাকার কথা তার সেগুলো আছে কিনা।

বেশীরভাগ ছেলেদের এই বড় সমস্যার কারনে তাদের শরীর রোগা রোগা দেখা যায়। তাই  তাদের আগে এই সমস্যার সমাধান করা অনেকটাই উচিৎ। অন্যথায় মোটা হওয়ার জন্য ঔষধ কিছুদিন খাওয়ার পর তারা মোটা হবে ঠিক, আবার সেই আগের মতোই তারা কঙ্কালসার হয়ে যাবে। তাই তাদের দেখতে হবে, তার স্বপ্নদোষ মাসে ভেতরে কয়বার হয়, প্রশ্রাবের আগে অথবা পরে বী’র্যের মতো কিছু নির্গত হয় কিনা। হলেও এর পরিমানটা আশংকাজনক কিনা। এইসব কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করে ভাল কোন একজন চিকিৎসক এর শরণাপন্ন হওয়া অনেকটাই উচিৎ। সেই সাথে আগে এর সম্পুর্ন ভাবে চিকিৎসা নিয়ে, তারপর তারা মোটা হওয়ার ঔষধ খেতে পারেন।

মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

ছেলেদের মোটা হওয়ার জন্য ঔষধের নাম আলাদা কোন ঔষধ নাই। শুধু চিকিৎসার ধরনটাই  একটু আলাদা।

এর মধ্যে বাড়তি মাএ ১ টা ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যোগ করা যেতে পারে। তবে কেউ কেউ আছেন সিপ্রোহেপ্টাডিন পরামর্শ দিয়েই থাকেন। আমি ব্যাক্তিগতভাবে এটা তাদের নিষেধ করি। কারন এর মধ্যে রয়েছে বহু ক্ষতিকারক উপাদান থাকার অনেকটাই আশংকা আছে। তাই পর্যাপ্ত আমিষ, এবং প্রোটিন অথবা  ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার এবং ফলমুল খেলে ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা।

মেয়েদের মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

মেয়েদের জন্য এখন বতর্মান মোটা হওয়ার ঔষধের নামের তালিকা অনেক বড় লিস্ট । সবগুলো হয়তো লেখা আমি লেখতে পারবোনা

তবে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ যেগুলো তা বলার চেষ্টা করবো । তবে তার আগে নিশ্চিত হতেই হবে,

ঐ মহিলার মাসিকচক্র সেটা নিয়মিত কিনা। যদি সেটা অনিয়মিত থাকে, তাহলে হামদর্দ এর মাস্তুরীন সিরাপটা সেটা রাত্রে  মাএ ৩ চামচ করে এভাবে ২ থেকে ৩ মাস খেয়ে যেতে হবে। সাথে মাএ ১ মাস আয়রন ফলিক এসিড ক্যাপসুল সকালে মাএ ১ টা খে’তে হবে। বাকিগুলো ঔষধ  আগের নিয়মে খে’লে আশাকরা যায়  তাদের শরীর মোটা হবে। এছাড়া ও লিকুরিয়ার মানে সাদা স্রাব হলেও সেটা জন্য ও এই সিরাপ অনেক কাজ করবে। সাথে শুধু দুপুরে  মাএ ১ টা ক্যালসিয়াম যোগ করতেই হবে। সাদাস্রাব ভেতর থেকে বেশী হলে অবশ্যই একজন ভালো  ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এর জন্য  চিকিৎসা আগে করাতে হবে। মাস্তুরীন চালিয়ে যেতেই  হবে । সাথেই আমি একটা ছোট টিপস দিতে পারি, রাতে মাএ ১ মুষ্ঠি আতপ চাল আধাকাপ পানিতে সেটা ভিজিয়ে  সেটা সকালে পানিটুকু পান করতে পারেন  মাএ ৩ সপ্তাহ, বেশ উপকারি। সাদাস্রাব এর জন্য সেটা মাসিকের সময় পরিস্কার ন্যাপকিন ব্যাবহার করতেই হবে। বিবাহিত হলে স্বামী এবং  স্ত্রীর উভয়েই তারা চিকিৎসা নিতে হবে। এবং অনেক পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। স্যাতস্যাথে লজ্জাস্থান অর্থাৎ প্রস্রাব অথবা মলত্যাগের পর লজ্জাস্থান শুকনো কাপড় দিয়েই মুছতেই ব্যার্থ হলে, এখানেই বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিয়ে এসব রোগের সৃষ্টি হয়।

মোটা হওয়ার ঔষধের সাইড এফেক্ট

মোটা হওয়ার জন্য  ঔষধের ভেতরে বিশেষ করে কিছু মারাত্মক  সাইড এফেক্ট আছে। এগুলো  আপনাদের জেনে রাখা ভাল।

 আপনি যদি না জেনে এগুলো খেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন সেটা, প্রচারকেই অনেক দোষারুপ করবেন।

হয়ত বলবেন  আপনারা এসব ঔষধ সম্পর্কে যদি সম্পুর্নরুপে আমাদের কেউ বলে দিতো, তাহলে হয়ত এর বিকল্প  অন্য কিছু খোঁজতাম। এসব ঔষধের সাইড এফেক্টগুলো হচ্ছে, স্টেরয়েডের প্রভাব শরীরে ভেতরে ছড়িয়ে পরতে পারে। যার কারনে, আপনার শরীরে অতিরিক্ত পানি জমা, হাড়ক্ষয়, লিভারে  এবং বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়া, এমনকি আপনার কিডনিতেও প্রভাব পরতে পারে।

কিভাবে মোটা হওয়া যায় কিভাবে মোটা হওয়া যায়